ফাইল এক্সটেনশন কি ? ফাইল এক্সটেনশন সম্পর্কে জ্ঞান রাখার প্রয়োজনীয়তা ।

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন , আজ আমরা একটি গুরুতবপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করব তাহলো ফাইল এক্সটেনশন কি ?  ফাইল  এক্সটেনশনের সম্পর্কে জ্ঞান রাখার প্রয়োজনীয়তা কি ?  । আমরা যারা প্রযুক্তি সাথে তাল মিলিয়ে চলি তারা আর যারা না চলি সবাই ফাইল ব্যবহার করে থাকি সেটা হতে পারে  মোবাইল ফোনে বা কম্পিউটারে বা অন্যসব ডিজিটাল ডিভাইস গুলো তে ।

ওহ ফাইল টা কি ? ফাইল বলতে কি বুঝায় এটা একটু বুঝিয়ে নেয় কি বলেন ? ফাইল হলো কোন স্টোরেজ ডিভাইস এমন একটি স্থায়ী ফাঁকা জায়গা যেখানে ডাটা বা বিভিন্ন তথ্য থাকে যা বিভিন্ন ভাবে প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারি ।  আর ফোল্ডার হলো একটা কন্টেইনার এর মতো যেখানে এক সাথে অনেক গুলো ফাইল ধারন করে।  এই সব ফাইল কিছু বাস্তব জীবনের কাগজ লেখা বিভিন্ন তথ্য মতো ।

ফাইল এক্সটেনশন কিঃ ফাইল এক্সটেনশন কি জানার আগে আমাদের জানতে হবে এক্সটেনশন এর মানে কি দ্বারায় ।  এক্সটেনশন এর বাংলা করলে প্রসার,বিস্তার,সংযোজিত অংশ ইত্যাদি পাওয়া যায় এই থেকে আমরা বলতে পারি ফাইল এক্সটেনশন হলো কিছু  ফাইলের সাথে  থাকা সংযোজিত একটা অংশ । ফাইল এক্সটেনশন হলো ফাইলের শেষে থাকা কিছু সংযোজিত অংশ যা ফাইল টি ধরনের তা নির্দেশ করে থাকে এবং ফাইল এক্সটেনশন দেখে ফাইল চেনা যায় ।

সহজ করে বললে আমাদের  সবার ই যেমন একটা বংশ গত পদবি আছে সেটা হতে পারে হাসান,হোসেন,খান,চৌধুরি ইত্যাদি যখন কারো নামের শেষে থাকে খান তাহলে আমরা বুঝি খান বংশের লোক এ যেমন নাসিম খান একটি নাম এই নামের শেষের অংশ দেখে বুঝতে পারছি এটা খান বংশের । ঠিক তেমন করেই আমরা ফাইল এর শেষে অংশ দেখে বুঝে নিতে পারি এটি কি ধরনের ফাইল এটা কোথায় কাজে লাগানো যাবে এর কাজ কি ?

ফাইল কান্ড-কারখানাঃ  আমরা তো অনেকেই বিভিন্ন ধরনের ফাইল ব্যবহার করেছি তাই না অডিও,ভিডিও,পিডিএফ ইত্যাদি ইত্যাদি কখনো কি খেয়ার করে দেখছি এই ফাইলের শেষে  .mp3 , .mp4 , .pdf সহ আরো অনেক ধরনের ফাইল দেখি ? এই রকম থাকার কারণ কি কেন এক হলো না ?   কেননা এসব ফাইল অপারেটিং সিস্টেম কে একেক ধরনের অর্থ বুঝায় যদি সব এক হতো তাহলে বুঝত না যে কোনটা কি করতে হবে  অর্থ্যাৎ ফাইল এক্সটেনশন অপারেটিং সিস্টেম কে বুঝায় যে ফাইল টি কোন সফটওয়্যার দ্বারা ওপেন হবে ।

কখন ভাবছি যে কম্পিউটারে বা মোবাইলে কোন ভিডিও ওপেন করলে সেটা ভিডিও প্লেয়ার দিয়েই কেন ওপেন হয় অডিও প্লেয়ার দিয়ে কেন হয় না ? কারণ অপারেটিং সিস্টেম ফাইলের এক্সটেনশন দেখেই বুঝে যায় ফাইল টি কি  ধরনের আর কি দিয়ে ওপেন হবে । ফাইলের এক্সটেনশন হলো তার বংশ পরিচিতি সে কোথায় কিভাবে ওপেন হবে বা আচরণ করবে তা নির্ধারণ করে দেয় ।

ফাইল এক্সটেনশন কত টিঃ ফাইল এক্সটেশনের কোন সংখ্যা নাই ,অসংখ্য ফাইল এক্সটেনশন রয়েছে । একটু খেয়াল করলেই দেখবেন বিভিন্ন সফটওয়্যারের ফাইলের এক্সটেনশন ভিন্ন রকম । কোন টেক্সট টাইপ ফাইলের এক্সটেনশন হলো dot.txt( .txt ) তেমনি দেখবেন ফটোশপ এর সেভ কৃত ফাইলের কিছু এক্সটেনশন আছে তার মধ্যে বেশি ব্যবহৃত হলো PSD ( .psd )  ফাইল ঠিক একই ভাবে একেক সফটওয়্যারের ফাইলের একেক এক্সটেনশন আছে । এভাবে অসংখ্য টেনশন রয়েছে । কিন্তু কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফাইল এর এক্সটেনশন পরিবর্তন করে দিলে ফাইল টি অন্য ফাইলে রুপান্তর হয়ে যায় যেমন একটা txt ফাইলকে কেউ .html দিয়ে রিনেম করে দিলে সেটা আরামে ব্রাউজারে ওপেন হবে ।

ফাইল এক্সটেনশন Vs ফাইল ফরম্যাটঃ আমরা যদি কোন ফাইলের এক্সটেনশন পরিবর্তন করে দেয় যেমন file.txt কে ফাইল file.mp3 দিয়ে রিনেম করে দেয় তাহলে ওটা ওপেন করার সময়ু কি ঘটবে ? কিছুই না একটি ইরর দেখাবে কারণ ফাইল টি নাম শুধু পরিবর্তন হয়েছে ফাইলের ধরন না ফাইল টি কিন্তু সাধারণ টেক্সট ফাইল ই রয়েছে । ফাইল এক্সটেনশন ফাইল টি কোন ফরম্যাট বা কি ধরনের ফাইল তাও বুঝিয়ে দেয় ।

ফাইল এক্সটেনশন সম্পর্কে জ্ঞান রাখার প্রয়োজনীয়তাঃ আমারা প্রতি দিন বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে এই প্রযুক্তির বর্তমান দুনিয়ায় আর এসবের সাথে বিভিন্ন ফাইলের সাথে কাজ করতে হয়। আর এসব ফাইল সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা না থাকলে সঠিক ভাবে কোন কাজ সম্পাদন করা একটু বেশি জটিল । আপনার যদি ফাইল এক্সটেনশন সম্পর্কে ধারণা থাকে থলে আপনি যাচাই করতে পারবেন আপনি সঠিক ফাইল পাচ্ছেন কি না ।  অনেক সময় আমরা বিভিন্ন কিছু ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দেওয়ার সময় ডাউনলোড দেয় একটা আসে আরেক টা এটির কারণ হলো এড বিভিন্ন ফাউল ভাবে বিজ্ঞাপন গুলো দেয় ডাউনলোড বাটন ক্লিক করে উল্টা পাল্টা জিনিস আসে এখানে যদি আমাদের এক্সটেশন সম্পর্কে ধারণা থাকলে ডাউলোডের সময় এক্সটেনশন দিকে খেয়াল করলেই বুঝতে পারব যে এটি আমার ফাইল কি না । যদি ফাইল ভিডিও হয় তাহলে ভিডিও ফরম্যাট এ আসবে ।

কিছু ফাইলের এক্সটেনশন/ ফরম্যাট/টাইপঃ

এখানে কিছু ফাইল এর ধরনের গুলো সংগ্রহ করে দেওয়া হলো কোনটা কিসের দেখে নিন ।

File Type information Credit(Collect Form  this site  )

 

Audio file formats by file extensions

There are dozens of different audio file formats, standards, and file extensions used today. Below is a list of the most common audio file extensions.

  • .aif – AIF audio file
  • .cda – CD audio track file
  • .mid or .midi – MIDI audio file.
  • .mp3 – MP3 audio file
  • .mpa – MPEG-2 audio file
  • .ogg – Ogg Vorbis audio file
  • .wav – WAV file
  • .wma – WMA audio file
  • .wpl – Windows Media Player playlist

Compressed file extensions

compressed filesMost computer users are familiar with the .zip compressed files, but there are other types of compressed files. Below is a list of the most common compressed file extensions.

  • .7z – 7-Zip compressed file
  • .arj – ARJ compressed file
  • .deb – Debian software package file
  • .pkg – Package file
  • .rar – RAR file
  • .rpm – Red Hat Package Manager
  • .tar.gz – Tarball compressed file
  • .z – Z compressed file
  • .zip – Zip compressed file

Disc and media file extensions

When making an image of a disc or other media, all of the contained files are saved to an image file. Below are the most common disc image file extensions.

  • .bin – Binary disc image
  • .dmg – macOS X disk image
  • .iso – ISO disc image
  • .toast – Toast disc image
  • .vcd – Virtual CD

Data and database file extensions

data file could be any file, but for the purpose of this list, we’ve listed the most common data files that relate to data used for a database, errors, information, importing, and exporting.

Executable file extensions

java archiveThe most common executable file are files ending with the .exe file extension. However, other files can also be run by themselves or with the aid of an interpreter.

Font file extensions

Below are the most common file extensions used with fonts.

  • .fnt – Windows font file
  • .fon – Generic font file
  • .otf – Open type font file
  • .ttf – TrueType font file

Image file formats by file extension

JPEG example.There are dozens of different image types and image file extensions that can be used when creating and saving images on the computer. Below is a list of the most common image file extensions.

Internet related file extensions

The Internet is the most used resource on the computer and because web servers are using computers to serve the files, there are dozens of different file extensions that are used. Below are a list of the most common file extensions you will encounter while browsing the web.

Note: Image file extensionsvideo file extensions, and other extensions listed on this page could also be included with these file extensions mentioned below.

Presentation file formats by file extension

Today, there are a few programs that can create a presentation. Below is a list of the most common file extensions associated with presentation programs.

  • .key – Keynote presentation
  • .odp – OpenOffice Impress presentation file
  • .pps – PowerPoint slide show
  • .ppt – PowerPoint presentation
  • .pptx – PowerPoint Open XML presentation

Programming files by file extensions

Many file extensions are used for programs before they are compiled, as well as programming scripts. Below is a list of the most common file extensions associated with programming.

Note: Many of the Internet related file extensions could also be included with these file extensions mentioned below.

  • .c – C and C++ source code file
  • .class – Java class file
  • .cpp – C++ source code file
  • .cs – Visual C# source code file
  • .h – C, C++, and Objective-C header file
  • .java – Java Source code file
  • .sh – Bash shell script
  • .swift – Swift source code file
  • .vb – Visual Basic file

Spreadsheet file formats by file extension

Below are the most common file extensions that are used to save spreadsheet files to a computer.

  • .ods – OpenOffice Calc spreadsheet file
  • .xlr – Microsoft Works spreadsheet file
  • .xls – Microsoft Excel file
  • .xlsx – Microsoft Excel Open XML spreadsheet file

System related file formats and file extensions

DLLLike all other programs, your operating system uses files and has file extensions that are more common than others. Below is a list of the most common file extensions used on operating systems.

Note: The executable file extensions and all other files could also be included in this list.

Video file formats by file extension

FlashToday, there are dozens of file types associated with video files to add different types of compression, compatibility, and DRM to video files. Below is a list of the most commonly found video file extensions.

Word processor and text file formats by file extension

Creating text files and using a word processor is one of the most common tasks on a computer. Below is the most common file extensions used with text files and documents.

নোটঃ আমি যত টুকু জানি তত টুকু আপনাদের জানানোর চেষ্টা করেছি যদি কোন ভূল ত্রুটি হয় ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুল গুলো ধরিয়ে দিবেন । কারণ আমিও জানছি ও জানা বিষয় গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করছি তাই ভুল হতেই পারে । ধন্যবাদ

পোস্ট টি ভালো লাগলে আমার ছোট ওয়েব সাইট টি ভিজিট করার অনুরোধ রইল , এখানে আমি আমার জানা বিষয় গুলো আপনাদের মাঝে শেয়ার করার চেষ্টা করি । আমার সাইট www.nanoblog.net

ফেসবুকের সব প্রয়োজনীয় কাজগুলো হবে এখন এক ক্লিকে সেরা ফেসবুক টুল।

আসসামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন, আজ আমি আপনাদের সাথে ফেসবুকের কিছু কমন সমস্যা ও কাজ নিয়ে কথা বলব যেগুলো আমরা যারা ফেসবুকে ব্যবহার করি প্রতিনিয়ত করতে হয় ও এই সমস্যাগুলোই পরে থাকি । আমরা যারা ফেসবুক ব্যবহার করে থাকি তাদের কমন কিছু সমস্যা হলো কেউ এমন সব গ্রুপে যুক্ত হয়ে আছেন যেসব গ্রুপে আপনার থাকার কথা না তখন গ্রুপ থেকে লিভ নিতে গিয়ে দেখেন শত শত গ্রুপে অ্যাড আছেন তখন ভাবুন ? কত বার আপনাকে  একটি গ্রুপে ঢুকতে হবে লিভ মারতে হবে একবার করে কত না সময় , আবার অনেকেই শখের বশে অনেক ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট ঝুলিয়ে রাখেন পরে তা Accept করার প্রয়োজন মনে করলে দেখেন শত শত লোক দিয়ে রাখছে এক এক করে কাজ গুলো করতে বারো টা বাজবে তাই না ?

উপরে উল্লেখ্যিত কিছু সমস্যা ও দৈনন্দিন ফেসবুকে করতে লাগে এমন কাজ গুলো সহজে করতে একটি সহ টুলস এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব  যেটি দিয়ে আপনি এক ক্লিকে অনেকগুলো বা সব গুলো কাজ করতে পারেন যেমন এক ক্লিকে সব গ্রুপে একই পোস্ট করা , এক ক্লিকে সব ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট Accept করা সহ আরো অনেক কিছু করতে পারেন খুব সহজেই আর এই টুলস টি শুধু কম্পিউটারের জন্য এবং এটি সম্পন্ন গুগল ক্রোম বাউজারের এক্সটেনশনের মাধ্যমে হবে । যারা জানেন তারা গুগল ক্রোম এক্সটেনশন এখানে থেকে পড়ে নিন । আর যাদের ফোন তাদের ও এই সব এক্সটেনশন সাপোর্ট করানোর একটি ট্রিক আছে কে কে জানতে চান অবশ্যই কমেন্ট জানাবেন অথবা আমাদের সাপোর্ট ফোরাম  অপশন প্রশ্ন করতে পারেন ।

ব্রাউজার এক্সটেনশন কি ? এক্সটেনশন ব্যবহার ব্রাউজারে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ পদ্ধতি ।

Tools / Extension Details:

Name: Toolkit For FB by PlugEx

Add on Goole chrome : Toolkit For FB

এক্সটেনশন দিয়ে যেসব কাজ করতে পারবেনঃ ( Extension Feature )

আমি এই প্লাগিন এর ডকুমেন্টেশন থেকে কপি করে দিলাম  এই টা দিয়ে কি কি করা যাবে এবং কি ভাবে করবেন প্লাগিনের ডকুমেন্টশনে দেওয়া আছে ।

How to use Facebook group transfer tool
How to unmute stories for multiple or all Facebook friends
How to unlike multiple / all Facebook pages
How to unfollow multiple / all Facebook pages
How to unfollow multiple / all Facebook groups
How to unfollow multiple / all Facebook friends
How to suggest your friend to add another friend
How to start a Facebook tool using context menu
How to send sticker to your Facebook friends
How to send messages to your Facebook friends
How to remove / unfriend all Inactive Facebook friends
How to remove / unfriend all Active Facebook friends
How to post on multiple Facebook groups ( Text only )
How to poke and poke back everyone on Facebook
How to mute stories of multiple or all Facebook friends
How to like multiple posts on Facebook
How to leave multiple Facebook groups
How to invite your Facebook friends to like a page
How to invite your Facebook friends to an event
How to hide “Seen” tick for Facebook messages
How to get public phone numbers of your facebook friends
How to get group member IDs of Facebook group
How to follow multiple / all Facebook pages
How to follow multiple / all Facebook groups
How to follow multiple / all Facebook friends
How to download Toolkit For FB for various web browsers
How to download Facebook videos
How to delete all visible comments on Facebook
How to click all add friend buttons on Facebook
How to claim group adminship
How to cancel all pending friend requests on Facebook
How to backup your Facebook friend list
How to backup liked Facebook page list
How to backup joined Facebook group list
How to automatically send birthday wishes to your Facebook friends
How to automatically click all share buttons on Facebook
How to activate a license
How to accept or reject all Facebook friend requests
How to Add Facebook friends as a group member

প্লাগিন টি ব্যবহার করবেন যেভাবে ?

এইখানে অনেক গুলো টুলস আছে যেগুলোর প্রত্যেক টির ব্যবহার আজ এই পোস্ট এক সাথে দেখানো সম্ভব না তাই আমি একটি টুলস এর কাজ দেখিয়ে দিচ্ছি আপনারা ডকুমেন্টশন থেকে পড়ে নিবেন কিভাবে কি করবেন আর পরবর্তীতে আমি এক এক করে সব টুলস এর কাজ দেখানোর চেষ্টা করব । আর আপনি যদি একটু টুল ব্যবহার করতে পারেন আরো গুলো এমনি পারবেন ।  আমি এখানে দেখাব কিভাবে আপনার পাঠানো ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট গুলো Cancel করবেন ।

১ । প্রথমে উপরে দেওয়া লিংক থেকে ক্রোম এক্সটেনশন টি এড করে নিন ।

ফেসবুক হ্যাকিং টুলস

২।  এক্সটেনশন টি এড হয়ে গেলে অ্যাড্রেস বারে ডানে এমন আইকন পাবেন এখানে ক্লিক করুন ।

 add group member in one click

৩। এখানে দেখুন অনেক গুলো টুলস পেয়ে যাবেন আপনার যেই টুল টি লাগবে ঐ টা তে ক্লিক করুন ।

leave all group in one click

৪।এখানে আমি Cancel Pending friend request সিলেক্ট করলে কারণ আমি যেসব রিকুয়েষ্ট পাঠিয়েছে যারা accept করে নাই অর্থ্যাৎ পেন্ডিং আছে তাদের Cancel করব এখন Start Tool এ ক্লিক করুন ।

ফেসবুক টুল

৫।  এখানে সব পাঠানো পেন্ডিং রিকুয়েষ্ট গুলো দেখা যাবে আপনি এখানে কত সেকেন্ড পর পর একটা করে Cancel করবেন তা দিয়ে দিবেন আর স্ক্রল enable করে দিবেন এতে এক পেজে যত টুকু দেখা যাচ্ছে তা হয়ে গেলে অটো পেজ স্ক্রল হয়ে বাকি গুলো করা শুরু করবে আর না enable করলে যত টাকা দেখা যাচ্ছে তত টুকু পর্যন্ত থেকে যাবে ।

facebook tools in one click

নোটঃ এভাবে সব টুলস গুলো দিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় কাজ গুলো করতে পারেন যদি পোস্ট টি ভালো লাগে অবশ্যই বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন । আজ এই পর্যন্ত আশা এই রকম টিপস ট্রিক আরো পেতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েব সাইট ।

English Tag: Leave all group in one click,cancel friend request one click,add member one click ,download fb video,  invite all friends in page in one click etc .

গুগল কিপ ( Google Keep ) কি ? গুগল কিপ ব্যবহার করে তথ্য বা নোট রাখুন আরো সুরক্ষিত ।

আসসালামু আলাইকুম,

আমরা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন তথ্য গুলো নোট করে রাখতে ভালোবাসি সেটা হতে পারে ফেসবুকের বা অন্য কিছুর সাইটের পাসওয়ার্ড কিংবা বাজারের লিস্ট বা অন্যান্য সব তথ্য । আমরা যারা আন্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করি তারা আবার অনেকেই বিভিন্ন ধরনের নোট প্যাড অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করে থাকি নোড গুলো সেভ করে রাখতে কিন্তু দেখা যায় যখন ঐ অ্যাপ টি ভুলে বা ইচ্ছাকৃত ভাবে আনস্টল করি তখন লিখে রাখা সব  নোট গুলো হারিয়ে যায় । তাই আজ আমি আপনাদের সাথে গুগলে একটি সার্ভিসের সাথে পরিচয় করে দিব যার নাম গুগল কিপ হয়তো অনেকেই এই   নাম শুনছেন কিন্তু ব্যবহার জানেন না তাদের উদ্দেশ্য ।

গুগল কিপ কি ? ( What is Google Keep ? )

গুগল কিপ হলো গুগলের  একটি ফ্রী সার্ভিস যার মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরনের নোট বা লেখা , নিজের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলো রাখতে পারবেন এবং তা আপনি না চাওয়া পর্যন্ত তা কখন মুছে যাবে না । গুগল কিপ সার্ভিস টি আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে নিতে পারবেন সেটা ওয়েব লগিন করে বা আন্ড্রয়েড অ্যাপ ব্যবহার করে বা গুগল ক্রোমের কিপ এক্সটেনশন ব্যবহার করে। যখন আপনি এই কিপ এ কিছু লিখে বা নোট করবেন তখন ঐ নোট গুলো গুগলের সার্ভারে সংরক্ষিত হয়ে যায় এর ফলে আপনার তথ্য গুলো সুরক্ষিত রাখে । এখানে অবশ্যই নেট কানেকশন ব্যবহৃত হবে যখন কেউ ডাটা না থাকা অবস্থায় কোন কিছু লিখে রাখবে তখন তা ঐ অ্যাপ এ সংরক্ষিত থাকবে যখনই আবার নেট পাবে তখন তা গুগলের সার্ভারে সংরক্ষিত হয়ে যাবে অটো । আর এসব কাজ গুলো ই হবে অবশ্যই জিমেইল দ্বারা এজন্য জিমেইল অবশ্যই লগিন করে রাখতে হবে । যদি জিমেইল লগিন করা থাকে তাহলে ঐ জিমেইল অ্যাপে দেখাবে এছাড়া আরো সুবিধা গুলো নিচে তুলে ধরা হলো ।

ব্রাউজার এক্সটেনশন কি ? এক্সটেনশন ব্যবহার ব্রাউজারে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ পদ্ধতি ।

ক্রোম ব্রাউজারের কিছু শর্টকাট জেনে নিন আর ব্রাউজিং করুন আরো দ্রুত আরো সহজ ।

গুগল কিপ ব্যবহারের সুবিধাঃ 

১। সার্ভিস টি ওয়েব,আন্ড্রয়েড অ্যাপ ও গুগলে ক্রোম এক্সটেনশনে দ্বারা সুবিধা নিতে পারবেন ।

২। আপনি যতই অ্যাপ টা আন্সটল করেন বা ক্লিয়ার ডাটা মারেন তা ও আপনার নোট হারিয়ে যাবে না ।

৩। যখন ইচ্ছা আপনার জিমেইল লগিন করে কিপ ঢুকলে তথ্য গুলো পেয়ে যাবেন কিন্তু এক্ষেত্রে অবশ্যই সেই জিমেইল টি লগিন করতে হবে যাতে আপনি নোট গুলো সেভ রাখছিলেন ।

৪।  আপনি রিমাইন্ডার সুবিধা রয়েছে ।

৫। আপনি চেকলিস্ট করে নোট করে রাখতে পারবেন  সেটা হতে বাজারের লিস্ট বা অন্য কিছু লিস্ট ।

৬। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এটা খুব উপকারি একটি অ্যাপলিকেশন এটি এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের পড়াশোনা ব্যাপারে নোট টি ব্যবহার করতে পারে।

৭। আপনি ভয়েস,ড্রয়িং,চেক লিস্ট ইত্যাদি টাইপের নোট সংরক্ষিত করতে পারবেন ।

৮। যারা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে অ্যাকাউন্ট খুলে পাসওয়ার্ড ভুলে যান তারা এখানে পাসওয়ার্ড গুলো লিখে রাখতে পারেন ।

৯। অনেকেই আবার টেক রিলিটেড বা অন্য কোন গুরুত্ব সাইট মাঝে মাঝে ভুলে যায় তারা এটি ব্যবহার করে সাইট গুলোর বুকমার্কিং করে রাখতে পারে।

১০। এছারা একজন দৈনন্দিন কাজে বিভিন্ন ভাবে এই সার্ভিস টি ব্যবহার করতে পারে । এবং এটি ব্যবহার করতে করতে এর অন্য সুবিধা গুলো একাই জেনে যাবেন ।

কিপ ডাউনলোড লিংকঃ

Google Keep Chrome Extension

Google Keep Web Version

Google Keep Android Version

আমাদের পোস্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন আর আপনার কোন মতামত থাকলে বলবেন আর যদি কোন প্রশ্ন থাকলে Support Forum গিয়ে করুন আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব । ধন্যবাদ

আরো পড়ুনঃ

পাবজি এর বর্তমান ভার্সনে যেভাবে i got supplies দিবেন। নতুন i got supplies এর সুবিধা !

বিটিইবি এর সাইট ব্যবহার করে কিভাবে সকল ধরনের তথ্য নিজের হাতের মুঠোয় রাখবেন ।

সি শার্প প্রোগ্রামিং করার জন্য কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও ( Visual Studio) ইন্সটল করবেন ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ? কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

পাবজি এর বর্তমান ভার্সনে যেভাবে i got supplies দিবেন। নতুন i got supplies এর সুবিধা !

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন, বর্তমানে খুবই জনপ্রিয় একটি গেম পাবজি এবং এই পাবজি একেকটি আপডেট তাদের খেলোয়ারদের জন্য প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু দারুণ আপডেট আনছে জম্বি মোড আরো অনেক কিছু ।  কিন্ত দুঃখের কথা আগে পাবজি তে চ্যাট অপশনে I got Supplies টা দেওয়া যেত কিন্তু সেটা এখন দেওয়া যাচ্ছে না । তারা ঐ জায়গা থেকে অপশন টি সরিয়ে দিয়েছে যেটা এড করতে আমাদের সেটিং থেকে নিজেরদের করে নিতে হবে ।

পাবজি তে যেভাবে I got supplies দিবেন ? 

১। প্রথমে পাবজি গেম টি ওপেন করুন

২।  তারপর সেটিং এ যান

পাবজি টিপস

২।  এখন থেকে Quick Chat অপশনে যান

পাবজি টিপস

৩।  তারপর এখান থেকে Change ক্লিক করুন

পাবজি টিপস

৪। স্ক্রিনশট এর মতো করে কাজ করে OK তে ক্লিক করুন

পাবজি টিপস

৫।  এখন আপনি কোন বন্দুক বা কিছু পেলে আপনার বন্দুকের যে টার্গেট পয়েন্টার থাকে ঐটা ঐদিকে করে মেসেজ অপশন থেকে সবার শেষে দেখবেন I got supplies আছে ক্লিক করে দিবেন কাজ শেষ ।

নতুন I got Supplies অপশনের সুবিধাঃ  আমরা জানি আগে I got supplies দিলে জিনিস টা কোথায় আছে এটা শুধু দেখাতো তাই না ? কিন্তু এই নতুন আপডেট ভার্সনে I got Supplies দেওয়া সময় যেই জিনিস টার জন্য দিচ্ছেন তার নাম দেখাবে । যেমনঃ I Got AKM ,I got 5.56m ইত্যাদি ইত্যাদি ।

আশা করি পোস্ট টি ভালো লেগেছে যদি ভালো লাগে অবশ্যই শেয়ার করবেনা আপনার বন্ধুদের সাথে এবং আরো নিত্য নতুন টিপস পেতে আমাদের সাইটে প্রতিদিন ভিজিট করুন । ধন্যবাদ

বিটিইবি এর সাইট ব্যবহার করে কিভাবে সকল ধরনের তথ্য নিজের হাতের মুঠোয় রাখবেন ।

আসসালামু আলাইকুম,

আমরা যারা ডিপ্লোমা তে অর্থ্যাৎ কারিগরি শাখায় পড়াশোনা করছি তারা অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন  করে থাকি বিভিন্ন গ্রুপে তার মধ্যে অন্যতম জায়গা হলো ফেসবুকে “পলিটেকনিক আমার অহংকার” এই গ্রুপে । আমরা যারা ডিপ্লোমা তে লেখাপড়া করছি অনেকেই বিভিন্ন পলিটেকনিক রিলিটেড গ্রুপে এড আছি তার মধ্যে উল্লেখ্যিত গ্রুপ টি অন্যতম । আমি এই গ্রুপের নাম বলছি কারণ এইখানে পলিটেকনিকে পড়া অনেক শিক্ষার্থীরা এসে বিভিন্ন প্রশ্ন করে যেমনঃ  ইন্সটিটিউট কবে বন্ধ/ ছুটি দিবে,আজ ছুটি আছে কি ? , আমাদের পরীক্ষা কবে থেকে, ট্রান্সফারের রেজাল্ট কবে দিবে ,কারো কাছে বুক লিস্ট আছে , এই ধরনের অনেক প্রশ্ন করে আমাদের এই গ্রুপে পোস্ট করা হয় এবং আমাদের এডমিন প্যানেলের লোকেরা সহ গ্রুপ মেম্বার গুলো যথেষ্ট পরিমাণ হেল্প করে কিন্তু আপনারাই বলেন এক পোস্ট কতই আর ভালো লাগে দেখতে একটু বিরক্তিকর পরিবেশ সৃষ্ট হয়ে যায় । কিন্তু আমারা যদি একটু আশে পাশে নজর দেয় তাহলে বিভিন্ন সব নোটিশ, সিলেবাস,বুকলিস্ট নিজেরাই বের করতে পারব ।

আমরা অনেকেই জানি আমাদের কারগরি শাখার একটি ওয়েবসাইট আছে যেখানে সব ধরনের নোটিশ প্রবিধান সহ অনেক কিছু দেওয়া আছে ইচ্ছা করলেই প্রতিদিন একটু ভিজিট করে আমরা খবর গুলো পেতে পারি এক্ষেত্রে সমস্যা হলো ওয়েব সাইটের কথায় কি আছে অনেকেই সঠিক ভাবে জানে না তাই আমি আজ আপনাদের কাজের কয়েক টি অপশনের কাজ দেখে দিব কথায় কি পাবেন ।

১। ওয়েব সাইটঃ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট টি হলো  http://bteb.gov.bd/

২।নোটিশঃ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর শুরু দিকেই একটি সেকশন দেখতে পারবেন নোটিশ নামে এখানে কারিগরি সকল নোটিশ গুলো পাবেন একত্রে  ।

৩। বিজ্ঞপ্তিঃ  এই সেকশনে আপনি উল্লেখ্যিত পর্যায়ের নোটিশ গুলো পাবেন যেমনঃ ছুটির,ট্রান্সফারের নোটিশ সহ আরো বিভিন্ন কার্যক্রমের এবং নোটিশ গুলো পড়তে নোটিশ এর উপর ক্লিক করলে নোটিশ ডাউনলোড হওয়া শুরু হবে ফাইল টি পিডিএফ আকারে থাকবে ।

৪। অনলাইনে ভর্তিঃ যখন পলিটেকনিকে ভর্তি শুরু হবে তখন এই সেকশনে ভর্তি সক্রান্ত সকল তথ্য এবং কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে ভর্তি হতে হবে তা থাকবে এখানে ।

৫। রেজিস্ট্রেশনঃ এই সেকশনে ভর্তি তথ্য সহ অনালাইনের ভর্তি হওয়ার  সব দেওয়া থাকবে ।  বিভিন্ন ধরনের রেজিস্ট্রেশন তথ্য পাবেন  ।

৬। ফর্ম ফিল-আপঃ  ফর্ম ফিল-আপ এর সকল তথ্য এই সেকশনে দেওয়া থাকে ।

৭। অনালাইনে নম্বর প্রেরণঃ এইটা আমাদের জন্য না বললেই চলে এখানে নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া তথ্য গুলো পাওয়া যায় ।

৮। চলামান ফলাফলঃ আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের বোর্ড রেজাল্ট গুলো আমার এই অপশন বা মেনুতে থাকা রেজাল্ট অপশন থেকে ফলাফল গুলো দেখতে পারি ।

৯। স্থগি ফলাফলঃ আমরা অনেক সময় অনেকে বোর্ড চ্যালেজ্ঞ করে থাকি যে এত নাম্বার পাইতাম এত অল্প পাইছি ফেল হব তাদের জন্য সব নোটিশ গুলো এই সেকশনে পাওয়া যাবে ।

১০। ডাউনলোডঃ  এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন সেকশন এখানে আপনি সিলেবাস,বুকলিস্ট,প্রবিধান,একাডেমিক ক্যালেন্ডার সহ বিভিন্ন নিয়ম-কানুন গুলোর ফাইল ডাউনলোড বা দেখে নিতে পারেন । ধরুন আপনার সিলেবাস জানার দরকার বা এই সেমিস্টারে কি কি বই আছে তার জানার দরকার তো আপনি সিলেবাস অপশনে ঢুকে গুগল ড্রাইভ থেকে আপনার প্রয়োজনীয় ফাইল টি ডাউনলোড করে বা দেখে নিতে পারলেন ।

এইখানে ডাউনলোড করতে গিয়ে এমন দেখে কেউ চমকে যাবেন না কেউ হাউ মাউ করবেন না এখানে ডিপ্লোমা সিলেবাস কোথায় দেখছি না বলার আগে সুন্দর করে খেয়ার করেবন । এই গুলো এক ফোল্ডার মধ্যে ঢুকানো থাকে । এখান থেকে আপনার কোনটি লাগবে সেই ফোল্ডারে ঢুকুন যেমন আপনি Diploma In Engineering এর স্টুডেন্ট হলে Dip in Egg … এর নামে একটা ফোল্ডার আছে এখানে যাবেন তাহলে সব পাইবেন ।

তার পর ঐ ফোল্ডার এর ভেতর আরো ফোল্ডার পাবেন সেটা হতে পারে প্রবিধানের বা সিলেবাসের । তো সিলেবাস পাইতে হলে Course structure ফোল্ডারে যায়তে হবে তাহলে সকল ডিপার্টমেন্ট এর সকল পর্বের কোর্সের গঠন অর্থ্যাৎ বুকলিস্ট সিলেবাস যা ই বলেন পেয়ে যাবেন।

নোটঃ  আপনাদের সুবিধার জন্যই এই পোস্ট টি করা যদি আপনারা এটি ভালো করে পড়ে থাকেন আশা করি কোন পোস্ট করতে হবে না তথ্য জানার জন্য নিজেই সব কিছু বের করতে এবং অন্যকে হেল্প করতে সক্ষম হবেন । আর এই পোস্ট টা আরো ভাল করে বিস্তারিত বলা যেত কিন্তু আমি এটা আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম । সব গুলো সেকশনের সাথে পরিচয় দিয়েছে এখন আপনার কাজ কিছু সময় বের করে ঐগুলো ঘুরে ঘুরে দেখা কথায় কি আছে ।

ধন্যবাদ ।

সি শার্প প্রোগ্রামিং করার জন্য কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও ( Visual Studio) ইন্সটল করবেন ।

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন আজ আমি দেখাব কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও সফটওয়্যার টি ইন্সটল করবেন । মূলত পোস্ট  পলিটেকনিকে কম্পিউটার টেকনোলজি তে পড়া ৪ র্থ পর্বের শিক্ষার্থীদের জন্য কারণ তাদের এই সেমিস্টারে অবজেক্ট অরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং নামে একটি সাবজেক্ট রয়েছে যেখানে সি শার্প প্রোগ্রামিং করতে হবে । এছাড়াও যারা সি শার্প প্রোগ্রামিং শিখতে চাচ্ছেন তারা কিভাবে ভিজুয়াল বেসিক ইন্সটল করবেন তাদের জন্যও এই পোস্ট ।

ভিজুয়াল বেসিক কিঃ 

ভিজুয়াল স্টুডিও  হলো একটি  IDE ( Integrated Development Environment )  টুল বা সফটওয়্যার যার মাধ্যমে প্রোগ্রামার বা ডেভেলপারা প্রোগ্রাম লিখতে ও পরীক্ষা করতে ব্যবহার করে থাকে ।  সাধারণত আই.ডি.ই এর মাঝে কোড কম্পাইলার,ইন্টারপ্রেন্টার, ডিবাগার ইত্যাদি থাকে । আরো বিস্তারিজ জানতে পারবেন বইগুলো তে  আজ আমি শুধু দেখাব কিভাবে ইন্সটল করবেন ।

কিভাবে ভিজুয়াল বেসিক ইন্সটল করবেন ?

১। প্রথম ভিজুয়াল বেসিক ইন্সটল করতে  অবশ্যই ইন্টারনেট লাগবে কারণ আমি ডাইরেক্ট অনলাইন থেকে ইন্সটল করা দেখাব  । এখন এই লিংকে প্রবেশ করুন Download Visual Studio

২।  তারপর এখান থেকে Visual Studio Community 2017  ভার্সন টি ডাউনলোড করে নিন ।

কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও ইন্সটল করবেন ।

৩। তারপর ডাউনলোডকৃত সফটওয়্যার টি ডাবল ক্লিক করে ওপেন করুন তারপর কিছু গুরুত্ব পূর্ন সব ফাইল ডাউনলোড হওয়া শুরু করবে ।

কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও ইন্সটল করবেন

৪।  Visual Studio Installer ডাউনলোড চলছে ।

কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও ইন্সটল করবেন ।

৪।  এখন আপনার যে যে জিনিস গুলো দরকার তা সিলেক্ট করে ইন্সটল করুন ডিফল্ট ভাবে যে কয়টা সিলেক্ট করা থাকে আমাদের জন্যই ঐ টুকু যথেষ্ট  এখন Install এর পাশে দেখুন দুটি অপশন পাবেন একটা Install while downloading এটা সিলেক্ট করলে ডাউলোড হবে প্লাস ইন্সটল হবে সাথে সাথে আর দ্বিতীয় টা হলো Install after Downloading এটা ডাউলোড এর পর ইন্সটল  হবে । তাই আপনার যেটি পছন্দ ঐ টি দিয়ে Install এ ক্লিক করুন ।

কিভাবে ভিজুয়াল স্টুডিও ইন্সটল করবেন ।

৫। ইন্সটলে ক্লিক করার পর সফটওয়্যার ডাউনলোড হওয়া  শেষে কম্পিউটার টি Restart চাইবে Restart দিয়ে দিবেন । সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আপনার ভিজুয়াল স্টুডিও টি সম্পন্ন তৈরী কোড করার জন্য ।

পোস্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়া করবেন । ধন্যবাদ ।

হ্যাপি কোডিং

আরো পড়ুনঃ 

Any Desk কি ? যেভাবে অন্যের কম্পিউটার দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন !

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ? কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ? কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন , আজ আমি আপনাদের সাথে ইন্টারনেট জগতে একটু নিরপাত্তা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব । আজ আমরা জানব “টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ? কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ” এটি ব্যবহারের সুবিধা কি কি  ইত্যাদি বিষয় ।

আমরা তো প্রতি নিয়ত ইন্টারনেট ব্যবহার করছি এবং এই ইন্টারনেট ব্যবহারে আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন জায়গা অ্যাকাউন্ট খুলতে হয় যেমনঃ জিমেইল, ফেসবুক,টুইটার, লিংকডিন ,ইয়াহু সহ আরো সোশ্যাল মিডিয়া সহ বিভিন্ন সাইটে অ্যাকাউন্ট করে থাকি । আমরা ইন্টারনেট ব্যবহারে কারী প্রায়ই এমন নিউজ শুনে থাকি যে এমুক ওমুক এর আইডি হ্যাক হয়েছে , পাসওয়ার্ড দিচ্ছে তাও লগইন হচ্ছে না এসব কেন হয় ? কারণ আপনার পাসওয়ার্ড এর দূর্বলতা অন্য জন জেনে গেছে আপনার আইডি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে সে অ্যাক্সেস টা নিয়ে নিয়েছে । অন্যের ফেসবুক বা অন্য কোন অ্যাকাউন্ট এর ক্ষতি করার উদ্দেশ্য যেভাবেই হোক হ্যাকার বা অন্য কেউ আপনার পাসওয়ার্ড হাতিয়ে নিতে চাই । তো এইসব এর রক্ষা পেতে কোন উপায় নাই ? অবশ্যই আছে তো বলেন না ভাই এত বক বক করার কি দরকার  ঐ ভাই থামেন বিস্তারিত না বললে বুঝবেন কেমনে এটার কি কাজ নিচে পড়ুন ।

হ্যাকিং প্রতিরোধে তৈরি করুন স্মার্ট পাসওয়ার্ড নিজেকে রাখুন সুরিক্ষত ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ? ( Two Step Verification): 

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি হলো দ্বিতীয় স্তরেরে একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখানে এই সিস্টেম টি ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টের সর্ব্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়ে থাকে । এই সুবিধা টি জিমেইল,ফেসবুক, সহ আরো অনেক সাইট দিয়ে থাকে এটির মাধ্যমে তারা তাদের অ্যাকাউন্ট আরো সুরক্ষিত রাখতে পারে ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেম কিভাবে কাজ করে  ? 

আগেই বলছি এটি দুই স্তর বিশিষ্ট যাচাই কর পদ্ধতি  , যখন কোন অ্যাকাউন্ট মালিক তার অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবে তখন সাইট থেকে ইমেল বা মোবাইল নাম্বারে কোড পাঠাবে সেটা দিলে তারপর আপনি লগিন করতে পারবেন । এটির ফলে অন্য কেউ আপনার ফেসবুক বা জিমেইল বা অন্য সাইট যেটা এই সিস্টেম সাপোর্ট করে পাসওয়ার্ড জেনে তাও লগিন করতে পারবে না কারণ সে যতই লগিন করার চেষ্টা করুক করতে পারবে না আপনার ফোন আপনার কাছে তাই কোড ও আপনার কাছে কেউ লগিন করতেই পারবে না কোন মতেই না এইভাবে আপনি আইডি সিকিউরিটি বাড়াতে পারেন । টু স্টেপ ভেরিফিকেশন সিস্টেম ইমেলে বা ফোনে কোড যাবে এমন ই হবে সব সাইটে তা না অন্য সাইটে অন্য ধরেনের হতে পারে কিন্ত মূলত কোড দিয়ে বেশি এই সিস্টেম টা দেখা যায়।

কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ?

১। প্রথমে আপনার ফেসুবকে লগিন অবস্থায় সেটিং অপশন এ যান ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ?

২। তারপর নিচের স্ক্রিনশট অনুসরণ করুন ।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন কি ?

৩।কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

৪। এইখানে আপনি যে ফেসবুক বা ইমেল এড করে রাখছেন সেটা এখানে দেখাবে এই টা সিলেক্ট করে Next দিবেন ।আপনার যদি ফোন নাম্বার এড না থাকে তাহলে ফোন নাম্বার আগে এড করে নিবেন ।

কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

৫।  এখন আপনার দেওয়া নাম্বার ফেসবুক থেকে একটি কোদ পাঠানো হবে ঐটা এখানে দিয়ে Next করে দিবেন।

কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

৬। এখন Finish করে দিন ।  এর পরবর্তীতে যখনই আপনি বা অন্য কেউ লগিন করবে তখন একটা কোড যাবে আপনার ঐ নাম্বারে ঐ কোড টা দিলেই লগিন হয়ে যাব ।

কিভাবে ফেসবুকে টু স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু করবেন ।

 

নোটঃ আমার মোবাইল না থাকার কারণে মোবাইলে দেখাতে পারলাম কিন্তু আপনি সহজেই করতে পারেন মোবাইলে কারণ পদ্ধতি একই ।  এই পোস্ট টি যদি ভালো লাগে  অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন ।

আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হয়েছে সাপোর্ট ফোরাম এখানে যেকোন ভিসিটর যেকোন প্রশ্ন বা হেল্প চাইতে পারেন তা দেখে আমাদের টিম বা অন্য সব ভিসিটর রা উত্তর দিতে পারে । সাপোর্ট ফোরাম

Any Desk কি ? যেভাবে অন্যের কম্পিউটার দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন !

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন , আজ আমি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি ।  আমরা যারা কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন ব্যবহার করি তারা প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের সমস্যা পড়ে থাকি তখন আপনি ঐ সমস্যাটা টি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আপনার কাছের কোন বন্ধু কে ডেকে এনে ঠিক করে নেন সমস্যা টি তাই তো ? ধরুন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার টির একটি সমস্যা হয়েছে ঠিক করতে হবে কিন্তু আপনার বন্ধু অনেক দূর কাছে নাই অন্য কেউ ও নাই সাহায্য করার জন্য তখন যদি আপনার বন্ধুর সাহায্য দূর থেকেই পান তাহলে ভালো হতো তাই না । এছাড়া বিভিন্ন সময় আমাদের অনেকের ই প্রয়োজন পড়ে অন্যের কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করার এতো কথা কেন বলছি ? পড়তে থাকুন !

Any Desk কি ?

Any Desk একটি সফটওয়্যার যার মাধ্যমে আপনার দূর থেকে প্রয়োজনে যেকোন কম্পিউটার বা মোবাইল কে নিয়ন্ত্রন করতে পারনে । এই সফটওয়্যার টি যে  কম্পিউটার সাথে কানেক্ট হবে সেই কম্পিউটারের মালিকের পারমিশন যারা কানেক্ট হতে পারবে না ।  সফটওয়্যার টি নিন্মোক্ত অপারেটিং সিস্টেমের জন্য রয়েছে ।

Any Desk কিভাবে কাজ করে ?

Any Desk সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে ওপেন করার পর আপনাকে একটি আইডি দিবে যে আইডি ব্যবহার করে আপনি যে কম্পিউটার এর সাথে যুক্ত হতে চাচ্ছেন তাকে দিতে হবে । অর্থ্যাৎ আপনি যার কাছে থেকে সাহায্য নিবেন তাকে আইডি টি দিতে হবে তখন সে তার Any Desk সফটওয়্যারের মধ্যে ঐ আইডি টি বসিয়ে কানেক্ট করার জন্য রিকুয়েষ্ট পাঠাবে তখন সেই ব্যক্তি টি পারমিশন দিলে তখন ব্যক্তি টি  কম্পিউটার বা পিসি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে আশা করি বুঝতে পেরেছি ।  আর এই পুরো কাজ টি সম্পন্ন করতে করতে ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন হবে ।

কিভাবে Any Desk দিয়ে অন্যের কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করে সাহায্য করবেন  ?

১।  প্রথমে  Any Desk এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পিসি ভার্সন সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন ।

Any Desk Dowload Now

২। সফটওয়্যার সাইজ মাত্র  দুই এমবি , ডাউনলোড হলে সফটওয়্যার টি ওপেন করি তা রপর  স্ক্রিনশট টি ভালো করে দেখুন ।

 

৩। উপরে স্ক্রিনশট মতো আপনি একটি উইন্ডো দেখতে পারবেন সেখানে প্রথম ঘরে আপনার আইডি থাকবে আর দ্বিতীয় ঘরে আপনি যারা সাথে কানেক্ট হতে চাচ্ছেন তার আইডি তার কাছে থেকে নিয়ে ২য় বক্স এ বসিয়ে Connect ক্লিক করতে হবে ।

৪। কানেক্ট এ ক্লিক করার আপনার পাটনার অর্থ্যাৎ যার সাথে যুক্ত হবেন তার কাছে একটা অনুরোধ যাবে যে এই কম্পিউটার টি আপনার সাথে কানেক্ট হতে চাচ্ছে তখন সত্যি যদি সে হয় তাহলে Allow করে দিবেন তাহলে সম্পন্ন ভাবে কানেক্ট হয়ে যাবে আর হ্যাঁ এই ক্ষেত্রে যখন আপনি কানেক্ট করতে যাবেন তখন দুজনেই Any Desk সফটওয়্যার টি ওপেন থাকতে হবে ।

৫। কানেক্ট হওয়ার পর আপনি কন্ট্রোল পেয়ে যাবেন আপনার পাটনারের কম্পিউটারের তারপর সেই সমস্যা টি সমস্যা টি সমাধান করে আপনার বন্ধু বা যেই হোক সাহায্য করে উইন্ডো টি ক্লোজ করে দিন ।

এছাড়া আপনি এই এর মাধ্যমে দুটি কম্পিউটারের মধ্যে ফাইল আদান-প্রদান করতে পারেন । এই রকম আরো সফটওয়্যার রয়েছে যার মধ্যে টিম ভিউয়ার নামের সফটওয়্যার খুব জন প্রিয় কিন্তু আমি এটা সম্পর্কে বললাম কেন? কারণ হলো অন্য সফটওয়্যার চেয়ে এটা ইজি মনে হয়েছে এবং ব্যবহার করা সতিই অনেক সহজ ।

নোটঃ এই মুহূর্তে আমার সাথে অন্য কম্পিউটার কানেক্ট না থাকায় বাকি স্ক্রিনশট দিতে পারলাম না । আপনাদের বুঝতে সমস্যা হলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন । আর হ্যাঁ এই পদ্ধতি তে আপনি আপনার বন্ধু মোবাইল ফোনে কানেক্ট হয়েও সমস্যার সমাধান দিতে পারেন । যদি পোস্ট টি ভালো লাগে অবশ্যই আপনার ফেসবুকে শেয়ার করবেন পোস্ট টি ।

আরো পড়ুনঃ 

হ্যাকিং প্রতিরোধে তৈরি করুন স্মার্ট পাসওয়ার্ড নিজেকে রাখুন সুরিক্ষত ।

ক্রোম ব্রাউজারের কিছু শর্টকাট জেনে নিন আর ব্রাউজিং করুন আরো দ্রুত আরো সহজ ।

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের ৫৭৪ কেবির সেরা একটি ব্রাউজার রিভিউ ।

ভিপিএন কি? কেন ভিপিএন ব্যবহার করবেন ?

হ্যাকিং প্রতিরোধে তৈরি করুন স্মার্ট পাসওয়ার্ড নিজেকে রাখুন সুরিক্ষত ।

প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল করা অ্যাপ মেমরি তে আনার উপায় ।

ব্রাউজার এক্সটেনশন কি ? এক্সটেনশন ব্যবহার ব্রাউজারে বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ পদ্ধতি ।

আসসালামু আলাইকুম,

ব্রাউজার এক্সটেনশনঃ এক্সটেনশন এর কিছু অর্থ হলো প্রসার,বিস্তার,সংযোজিত অংশ ইত্যাদি । আমরা ইন্টারনেট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ ক্রোম,ফায়ার ফক্স সহ বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করে থাকি এই সব ব্রাউজারে নানান রকম সুবিধা পাওয়ার জন্য এক্সটেনশন  অর্থ্যাৎ ব্রাউজার এক্সটেনশন ব্রাউজারে নতুন সুবিধা যোগ করে আপনার ব্রাউজিং ইয়ে । আমাদের দেশে প্রায়ই মানুষ ক্রোম, ফায়ার ফক্স ব্যবহার করে থাকি ক্রোম ক্ষেত্রে এক্সটেশন বলে আর ফায়ার ফক্সে অ্যাড-অন বলে ।

যেভাবে ক্রোম ব্রাউজারে এক্সটেনশন এড করবেন ? 

১। প্রথমে আপনার ক্রোম ব্রাউজার ওপেন করুন তারপর স্ক্রিনশট অনুসরণ করুন ।

২।আড্রেসবার নিচে দেখবেন Apps লেখা আছে ক্লিক করুন ।

এক্সটেনশন ব্যবহারের সুবিধা

৩। এইখানে থেকে ক্রোম ওয়েব স্টোরে যান ।

ক্রোম এক্সটেনশন কি

৪।এইখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের এক্সটেশন থীম পাবেন আপনার প্রয়োজন মতো যেকোন এক্সটেনশন এড করার জন্য সেই টাই ক্লিক করুন ।  আমি Last Pass এক্সটেনশন টা এড করে দেখিয়ে দিচ্ছি ।

ক্রোম এক্সটেনশন কি

৪।

৫। ক্রোম এক্সটেনশন কি

৬। এক্সটেনশন টি ডাউনলোড হয়ে যাওয়াপর অ্যাড করার পর আপনি অ্যাড্রেস বারের সাথে আপনার অ্যাড করা এক্সটেনশন টি পেয়ে যাবেন ।

ব্রাউজার এক্সটেনশন কি ?

ফায়ার ফক্সে এক্সটেনশন/ অ্যাড-অন যোগ করা পদ্ধতিঃ

ফায়ার ফক্সে এক্সটেনশন বা অ্যাড-অন যুক্ত করার পদ্ধতি একই  ব্রাউজার টি ওপেন করে মেনুবারে এই অপশন এ গিয়ে আপনি কি ধরনের এক্সটেনশন চাচ্ছেন সেটি সার্চ করে এড করে নিন ।

ব্রাউজার এক্সটেনশন কি ?নোটঃ এই ভাবে আপনি বিভিন্ন ধরনের এক্সটেশন ব্যবহার করে অতিরিক্ত কিছু সুবিধা নিতে পারেন ব্রাউজিং এ । আমি যেই এক্সটেনশন টি এড করে দেখালাম ঐ এক্সটেনশন টির কাজ হলো পাসওয়ার্ড সেভ করে রাখা ।  বিভিন্ন এক্সটেনশন কি কাজ বিভিন্ন  রকম।

এক্সটেনশন ব্যবহারের সুবিধাঃ

১। এক্সটেনশন ব্যবহার করে আমরা যেকোন সুবিধা যুক্ত করে পারি যেটা ক্রোম স্টোরে আছে ।

২। ওয়েব পেজ এর ফুল স্ক্রিনশট নেওয়ার জন্য আলাদা এক্সটেনশন আছে ঐ টি ব্যবহার করে পারি ।
৩। কোন সফটওয়্যার ছাড়া ক্রোম ব্রাউজারের কিছু ফ্রী এক্সটেনশন ব্যবহার করে ভিপিএন এর ব্যবস্থা করে পারি সুবিধা নিতে পারি ।

৪। কোন কিছু সেভ বা নোড করে রাখার জন্য এক্সটেনশন ব্যবহার করে নোটপ্যাড পেতে পারি ।

৫। এছাড়াও প্রয়োজন ভেদে এক্সটেনশন রয়েছে যা আপনার কাজ সহ ব্রাউজিং এর বিভিন্ন সুবিধা এনে দিবে ।

 

আরো পড়ুনঃ

প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল করা অ্যাপ মেমরি তে আনার উপায় ।

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের ৫৭৪ কেবির সেরা একটি ব্রাউজার রিভিউ ।

হ্যাকিং প্রতিরোধে তৈরি করুন স্মার্ট পাসওয়ার্ড নিজেকে রাখুন সুরিক্ষত ।

ভিপিএন কি? কেন ভিপিএন ব্যবহার করবেন ?

ক্রিপ্টো কারেন্সি বা বিটকয়েন কি?  কিভাবে উপার্জন করা যায়  বিস্তারিত জেনে নিন।

প্লে স্টোর থেকে ইন্সটল করা অ্যাপ মেমরি তে আনার উপায় ।

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন , আমরা প্রতিনিয়ত প্লেস্টোর থেকে আমাদের প্রয়োজনীয় অ্যাাপ্লিকেশন ইন্সটল করে কিন্তু কোন  আনস্টল করার সেই অ্যাপ টি আর ইন্সটল করতে পারি না কারণ যখন আমরা এই অ্যাপলিকেশন টা ইন্সটল করে তখন ডাইরেক্ট ফোনে ইন্সটল হয় । তো এর ফলে আমরা একবার অ্যাপ টি আন্সটল করে দিলে পরে আর পায় না তো আজ আমরা দেখব কিভাবে প্লেস্টোর থেকে ইন্সটল করা অ্যাপ মেমরি তে আনবেন ।

প্লেস্টোর অ্যাপ ব্যাক আপ করে রাখার জন্য অনেক ধরেন অ্যাপ পাবেন তার মধ্যে সেরা একটি  অ্যাপলিকেশন

App Backup & Restore এটির মাধ্যমে আপনি সহজেই প্লেস্টোর থেকে ইন্সটল করা যেকোন অ্যাপ মেমরি তে নিয়ে আসতে পারবেন ব্যাক আপ করে রাখতে পারবেন । এই অ্যাপ টি 5,000,000+ বেশি বার ইন্সটল করা হয়েছে এবং এই অ্যাপ টির সাইজ মাত্র ৫+ এমবি । অন্যান্য অ্যাপ বাক অ্যাপলিকেশন এর থেকে এই অ্যাপ টি আমার দেখার মধ্যে সেরা অনেক সহজ ।

যেভাবে অ্যাপ মেমরি তে আনবেনঃ

প্রথমে নিচের লিংক থেকে অ্যাপ টি ইন্সটল করে নিন ।

Install Now

তারপর অ্যাপ টি ওপেন করুন এরপর দেখুন আপনি যেসব অ্যাপ প্লেস্টোর থেকে ইন্সটল করেছেন ঐসব অ্যাপ দেখা যাচ্ছে আপনার যেই সব অ্যাপ মেমরি তে রাখার প্রয়োজন সে কয়টা সিলেক্ট করে Backup ক্লিক করুন । তাহলে আপনি আপনার মেমরি তে গেলে দেখতে পাবেন Mobi Usage AppBackup নামের একটি ফ্লোডার তার মাঝে আপনার কাঙ্ক্ষিত অ্যাপ গুলো পেয়ে যাবেন ।

প্লেস্টোর থেকে অ্যাপ মেমরিতে আনার উপায়

 

এই অ্যাপলিকেশনে আরেক টি সুন্দর ফিচার দিয়েছে যা দিয়ে আপনি VIRUS SCAN করতে পারবেন মেনু থেকে অপশন টি পাবেন ।

মেমরিতে অ্যাপ আনার উপায়

আরো পড়ুনঃ

ফ্রী ফন্ট ডাউনলোড করার সেরা ৫ টি ওয়েবসাইট ।

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলের ৫৭৪ কেবির সেরা একটি ব্রাউজার রিভিউ ।

ফেসবুক মেসেঞ্জারের নতুন সুবিধা আনসেন্ড মেসেজ সম্পর্কে বিস্তারিত ।