Educational

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ও প্রশ্নের উত্তর ! ডিপ্লোমা ভর্তি ২০১৯-২০

153views

আসসালামু আলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন আমার ব্লগে সাইটে আপনাদের স্বাগতম এবং পবিত্র মাহে রমজানে শুভেচ্ছা সবাইকে  । আজ আমরা এস এস সি- তে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করতে যাচ্ছি তাদের জন্য যারা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ অর্থ্যাৎ পলিটেকনিকে পড়াশোনা করতে চায় ।

গত ৬ তারিখ SSC ( ২০১৯ )  রেজাল্ট দিল এবং তে উত্তীর্ণ হওয়া বিভিন্ন শিক্ষার্থীর ডিপ্লোমা / পলিটেকনিক ভর্তি হওয়ার ইচ্ছুক কিন্তু অনেকেই সঠিক তথ্য জানে না কিভাবে কোন বিষয়ে পড়াশোনা করবে , কিভাবে ভর্তি হবে অনেকেই কথা বলে যে এইখানে ভর্তি হওয়া যাবে না । এছাড়া ও রয়েছে বিভিন্ন রকম প্রশ্ন ।

আমরা যারা পলিটেকনিক এ পড়াশোনা করি অর্থ্যাৎ ডিপ্লোমা তে পড়ি তাদের জন্য একটি সাহায্যে ভরা গ্রুপ হলো পলিটেকনিক আমার অহংকার  এখানে বিভিন্ন ধরনের সাহায্য মূলক পোস্ট দিয়ে রাখে এবং তার উত্তর দিয়ে থাকেন এডমিন প্যানেলের লোকেরা । গ্রুপ টি বেলায়েত হোসেন ভাইয়ের তৈরী এবং এতে রয়েছে আরো কিছু লোক যারা নিঃসার্থ ভাবে কাজ করে চলছে ।

তো সেখানে এস এস সি -তে উত্তীর্ণ হওয়া শিক্ষার্থী বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন এবং যার উত্তর গুলো এডমিন প্যানেলের লোক সহ আমাদের মেম্বারগণ দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এতে লাভ হচ্ছে ঘুরে ফিরে সেই একই প্রশ্ন করা হয়েছে এমন কি গ্রুপের এডমিন লাইভে এসেও উত্তর দিয়েছে । তবুও বিভিন্ন শিক্ষার্থী প্রশ্ন করে যাচ্ছেন এবং আপনাদের প্রশ্ন থাকছে – এই পয়েন্ট এই পলিটেকনিক পড়ার সুযোগ পাব ? ,  এই সাবজেক্ট কি এই পলিটেকনিক সুযোগ পাব ? , কম্পিউটার ডিপার্টমেন্ট অন্য কোন ডিপার্টমেন্ট পড়তে অনেকেই মানা করছে কি করব এই রকম অনেক বিভিন্ন প্রশ্নে উত্তর দিব এই পোস্টে । চলুন শুরু করা যাক আর অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন ।

ডিপ্লোমা বা পলিটেকনিকঃ ডিপ্লোমা শব্দ টি এসেছে গ্রীক এবং ল্যাটিন  ভাষা থেকে । ডিপ্লোমা অর্থ হলো মোড়ানো বা ভাঁজ করে কাগজ , উপাধি পত্র । এমন একটি প্রত্যয়নপত্র বা দলিল যেটি কোন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যেমন কোন একটি কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত এবং এর দ্বারা বুঝানো হয় যে এর প্রাপক সফলভাবে তার অধ্যয়নের কোন একটি বিশেষ কোর্স সম্পন্ন বা একটি একাডেমিক ডিগ্রী অর্জন করেছেন।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইংরেজিDiploma in Engineering) হচ্ছে মানুষের সমস্যাবলী সমাধান এবং জীবনকে সহজ করার জন্য বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োগ। প্রকৌশলীগণ বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, গণিত এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োগ করবার জন্য তাঁদের কল্পনাশক্তি, বিচারক্ষমতা এবং যুক্তিপ্রয়োগক্ষমতা ব্যবহার করেন। এর ফলাফল হচ্ছে উন্নততর নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু ও নিত্যব্যবহার্য কর্মপদ্ধতির আবির্ভাব যা প্রতিদিনের জীবনকে সহজ করে দেয়। মূলত, মাধ্যমিক পরীক্ষার পর পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ৪ বছর মেয়াদী যে ইঞ্জনিয়ারিং পড়ানো হয় তাকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং বলে। যার গ্রেড মান ১৪। যেখানে উচ্চ মাধ্যমিকের গ্রেড মান ১২, ডিগ্রির গ্রেড মান ১৫ ও অনার্সের ১৬।

উপরের তথ্যগুলো উইকিপিডিয়া থেকে নেওয়া বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন উইকিপিডিয়া এর পেজে ।

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি আবেদন সময়-সীমা

সরকারী ডিপ্লোমা ইন্সটিটিউটে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে ১২-০৫-২০১৯ থেকে ০৮-০৬-২০১৯ পর্যন্ত এবং সকল বেসরকারী ইন্সটিটিউট ১২-০৫-২০১৯ থেকে ৩০-০৭-২০১৯  (১১:৫৯ ঘটিকা ) ভর্তিকার্যক্রম চলবে । ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে অনলাইনে এবং সকল শিক্ষার্থীদের অনালাইনে আবেদনের মাধ্যমে সকল কাজ সম্পন্ন করতে হবে ।  আরো বিস্তারিত জানতে নিচের থেকে অফিশিয়াল নোটিশ ডাউলোড করুন পিডিএফ ।

ভর্তি নীতামালা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন ।

এবং নিচে এই ভর্তিনীতিমালার ছবি দেওয়া হলো মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন যদি আপনি সঠিক তথ্য গুলো জানতে চান এবং ভর্তি হতে কোন সমস্যা না সৃষ্টি না হয় চান তাহলে মনোযোগ সহকারে পড়ে নিন ।

ডিপ্লোমা ভর্তি ২০১৯

ডিপ্লোমা তে ভর্তি আবেদন করার নূন্যতম যোগ্যতা 

ডিপ্লোমা ভর্তি ২০১৯

সম্পন্ন ভর্তি নীতিমালা ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

প্রয়োজনীয় ওয়েবসাইট

http://btebadmission.gov.bd

উপরের এই ওয়েবসাইট টির মাধ্যমে আপনাকে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভর্তি আবেদন করতে হবে । অর্থ্যাৎ btebadmission সাইট টি অনলাইনে ভর্তি আবেদন করার জন্য ।

http://www.bteb.gov.bd/

বিটিইবি কারিগরি বোর্ড এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট যেখানে কারিগরি সম্পকৃত সকল ধরনের নোটিশ পেয়ে থাকবেন এবং ভর্তি কার্যক্রম চলাকালীন এইখানে সব নোটিশ পেয়ে যাবেন ।

বিটিইবি এর সাইট ব্যবহার করে কিভাবে সকল ধরনের তথ্য নিজের হাতের মুঠোয় রাখবেন ।

উপরে লেখা গুলো আমি বোর্ড অনুসারে দিয়েছি কখন কি হবে এবং দুটি নোটিশ দিয়েছি যেখানে ডিপ্লোমা তে ভর্তি সম্পর্কিত সকল তথ্য দেওয়া আছে । আর এখন আমি নিজের ভাষায় নিচে বর্ণনা করতে যাচ্ছি কি ভাবে কি করবেন ।

ডিপ্লোমা ভর্তিঃ প্রথমত আপনারা যারা পলিটেকনিক এ ভর্তি হতে চান তারা নোটিশ এর ডেট মোবাতেক ভর্তির জন্য তৈরী থাকবেন যখন ভর্তি কার্যক্রম শুরু হবে তখন আপনি যদি নোটিশ পড়ে সব বুঝে থাকে যে নিজেই আবেদন করতে পারবেন তাহলে নিজে করবেন। যদি আপনি না বুঝে থাকেন তাহলে আবেদন করার জন্য আপনার শহরে বা গ্রামে কম্পিউটারের দোকানে যাবেন যারা অনলাইনে ভর্তি আবেদন করে দেয় ।

ভর্তি আবেদন করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফি লাগবে যেটা আপনাকে ভর্তি আবেদন করার ১ ঘন্টা আগে পাঠাতে হবে তারপর আবেদন করার জন্য ফরম পাবেন অনালইনে । পলিটেকনিক গুলো ২ টি শিফট এ পড়ানো হয় ১ম শিফট এবং ২য় শিফট আর আপনি আবেদন করার সময় এই ২ শিফট এ আবেদন করতে পারবেন আর যদি দুটি আবেদন করতে না চান তাহলে শুধু একটি তে আবেদন করতে পারবেন ।

আবেদন ফর্ম আপনি ১ম ও ২য় শিফটে ১০ টি করে চয়েস দিতে পারবেন সেটা হতে পারে একই সাবজেক্ট বা  পলিটেকনিক বার বার । অর্থ্যাৎ আপনি মোট বিশ টি চয়েস দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন । আপনার ভর্তি আবেদন আপনার পছন্দ সাবজেক্ট পলিটেকনিক করার পর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে রেজাল্ট দেওয়া পর্যন্ত রেজাল্ট দেওয়া পর আপনি যদি পড়ার সুযোগ পান তাহলে আপনাকে পরবর্তী পদক্ষেপ বলা দেওয়া হবে কি করতে হবে ।

যদি আপনি আবেদন করার সুযোগ না পান তাহলে আপনার টেনশন নাই আপনাকে অপেক্ষামান তালিকায় রাখা হবে এবং যারা সুযোগ পেয়েছে তাদের মধ্যে আবার বাছাই হবে মানে সুযোগ পাওয়ার দেখা যায় অনেকেই আর পরে না নির্দিষ্ট টাইপ মোতাবেক টাকা পরিশোধ না করায় বাতিল বলে বিবেচনা করা হয় । আর যারা বাতিল হয়ে তখন তাদের আসন গুলো পূর্ণ করতে অপেক্ষামান তালিকা থেকে যারা নতুন ছাত্র-ছাত্রী নেওয়া হয়ে থাকে আর অপেক্ষামান তালিকা বেশ কয়েকবার ফলাফল প্রকাশ করে আপনার ভাগ্য যদি ভালো হয় তাহলে অপেক্ষামান তালিকা থেকে সুযোগ হয়ে যেতে পারে ।

আবার অনেক সময় দেখা যায় নিজের চয়েস দেওয়া পলিটেকনিক বা সাবজেক্ট গুলোর মাঝে যেটা নিয়ে বেশি পড়ার ইচ্ছা ছিল সেই টাই চ্যান্স পাই নাই তাদের জন্য রয়েছে মাইগ্রেশন সিস্টেম ।

মাইগ্রেশন সিস্টেমঃ মাইগ্রেশন সিস্টেম হলো যারা নিজের চয়েস এর মধ্যে যেটায় বেশি আগ্রহ কিন্তু সেই বিষয় বা পলিটেকনিক এ পাই নি তাদের জন্য আরেক টা সুযোগ এটি । আবেদন করার ফলাফল প্রকাশ হলে এই অপশন টি অন-অফ করা যায় । যদি এটি অন থাকে তাহলে যে চয়েস গুলো দিয়েছে সেই চয়েস গুলোর মধ্যে প্রথম দিকের চয়েস গুলোর দিকে পরিবর্তন হতে পারে । আর যদি অফ রাখেন তাহলে যেখানে সুযোগ পেয়েছেন ঐ খানে থেকে যাবে আর যাদের মন মতো পলিটেকনিক বা সাবজেক্ট এ সুযোগ হয়েছে পড়ার তারা অবশ্যই মাইগ্রেশন বন্ধ রাখবেন ।মাইগ্রেশন অন রাখলে আপনার চয়েস গুলোর মধ্যে আপনি যে পলিটেকনিক বা সাবজেক্ট এ পাইছেন এই দুটায় পরিবর্তন হতে পারে আবার নাও পারে সেটি কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে ।

কিছু সর্তকতাঃ

  • যখন আপনি ভর্তি আবেদন করবেন তখন প্রথম দিকে যে পলিটেকনিক / সাবজেক্ট চয়েস রাখবেন ঐটা বেশি প্রাধান্য দিবে । অর্থ্যাৎ আপনি যদি প্রথম শিফটে রাজশাহী পলিটেকনিক কম্পিউটার এ চয়েস দেন তাহলে বুঝাবে আপনি বেশি আগ্রহ রাখছেন এই পলিটেকনিক এর এর এই বিষয়ে । তাই অবশ্যই চয়েস দেওয়ার পর কোনটার পর কোনটা রাখেবন খেয়াল করে চিন্তা-ভাবনা করে দিবেন ।
  • আপনি যখন আবেদন করতে যাবেন তখন পাসপোর্ট সাইজের একটি ছবি লাগবে যেটা সাধারণ ছবি হবে রেজিস্ট্রেশনের সময় যেমন ছবি দেয় আমরা ঐ রকম রঙ্গিন ছবি নিয়ে যাবেন যেটা আর যদি সম্ভব হয় ফটো যেখানে তুলেছেন তাদের কাছে থেকে ঐ পাসপোর্ট সাইজের ফটো টা আপনার মেমরি তে কপি করে নিয়ে যাবেন।
    আমি এই কারনে ফটো নিয়ে কথা বলছি যেটি ফটো টি আপনি আবেদন করার সময় ঐখানে দিবে সেটি ডিপ্লোমাতে পড়া কালীন আপনাকে একটা রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেওয়া হবে যেটি তে এই ফটো ব্যবহার করে হয়ে থাকে । আর এই ফটো খারাপ দিলে রেজিস্ট্রেশন কার্ডেও খারাপ আসবে এই ভুল টা আমি করেছিলাম তাই সাবধান করলাম আপনাদের ।
  • আবেদন করার সময় আপনি আপনার একটি ভালো নাম্বার দিবেন যেটি সব সময় নিজের কাছে থাকে । কারণ আপনি যখন আবেদন করবেন নাম্বার টি লাগবে আর আপনার ঐ নাম্বারে সব তথ্য যাবে ।
  • আবেদন করার সময় আপনার নাম্বারে কিছু এস এম এস যাবে সেই গুলো রেখে দিবেনে একটি ডিলিট করবেন না পারলে খাতায় নোট করে রাখুন ঐ গুলো পরে লাগবে ।

আশা করি বুঝতে পেরেছেন বিষয় গুলো এছাড়া যদিও প্রশ্ন থাকে কোন অবশ্যই আমার এই পোস্টের লেখার শেষে দেখবেন ফেসবুক দ্বারা কমেন্ট করার ব্যবস্থা আছে কমেন্ট করবেন আপনি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব । আমাদের ফেসবুকে গ্রুপ পলিটেকনিক আমার অহংকারে অনেকেই অনেক প্রশ্ন করছে তাদের উত্তর গুলো নিচে দেওয়া হলো ।

প্রশ্ন ও উত্তর

১। আমি এত পয়েন্ট পেয়েছে এই পলিটেকনিক এই বিষয়ে কি চ্যান্স পাব ?

উত্তরঃ  আপনাকে উপরে তথ্য গুলো পিডিএফ টা দেখতে বলেছিলাম ঐখানে উল্লেখ আছে আবেদন করতে মিনিমাম ৩.৫০ লাগবে ছেলেদের ক্ষেত্রে এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩.০০ । আপনি যত পয়েন্ট পান না কেন আপনি কোন পলিটেকনিক কোন বিষয়ে চ্যান্স পাবেন সেটা নির্ভর করছে বোর্ডের লোকদের উপর আর আপনার ভাগ্যের উপর । কিন্তু আপনার পয়েন্ট যদি ভালো হয়ে থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে অবশ্যই চ্যান্স পাওয়ার সুযোগ থাকবে কিন্তু কোথায় চ্যান্স কোন বিষয়ে হবে তা কেউ জানে না ।

২। আমি সায়েন্স অমুক তমুক বা ভোকেশনাল থেকে পাশ করছি আমি কি ভর্তি হতে পারব ? 

উত্তরঃ আপনি যেখান থেকেই আসেন না কেন আপনার পয়েন্ট ভালো থাকলে আপনার সুযোগ হতে পারে আবার নাও পারে ।

৩। কম্পিউটার ডিপার্টমেন্ট ভালো না অনেকেই বলছে কিন্ত আমি পড়তে চাই কি করব ?

উত্তরঃ আপনি প্রথমত কারো কথায় কান দিবেন না এটি কোন পুরাতন কোথা নয় এই রকম প্রশ্ন অনেকবার করেছে অনেকেই আর এই ঘটনা অনেকের সাথে হয়েছে । যারা বলে কম্পিউটার বা অমুক তমুক এ পড় না এই নাই ওই নাই ঐ সবে কান দিবেন না । আপনি যেখানে যে বিষয়ে পড়তে চান ঐ চয়েস দিবেন ।

৪। এই ডিপার্টমেন্ট / বা সাবজেক্ট নিয়ে পড়লে নাকি চাকরি নাই ?

উত্তরঃ আপনি যেখানেই পড়েন না কেন আপনার যোগ্যতা না থাকলে আপনি চাকরি পাবেন না যোগ্যতা দক্ষতা থাকলে যে বিষয় ই হোক চাকরি করতে পারবেন আর চাকরি করতে হবে এমন না ডিপ্লোমা আপনাকে হাতে কলেমে শিক্ষা দেয় নিজে কিছু করার জন্য নিজের দক্ষতা দ্বারা নিজের ও অন্যের কর্মসংস্থান করার জন্য তাই যে বিষয়েই পড়েন না কেন দক্ষতা আছে চাকরি আছে ।

৫। আমি এই পলিটেকনিকে  বা এই সাবজেক্ট পড়তে চাই কি করব ? 

উত্তরঃ আপনার যদি ইচ্ছা বা টার্গেট থাকে পলিটেকনিক অর্থ্যাৎ এই পলিটেকনিক হলেই হবে সাবজেক্ট একটা হলেই হলো তাহলে আপনি চয়েস দেওয়ার সময় যে পলিটেকনিক গুলো পড়তে চান বা সেই গুলো তে চয়েস দিবেন । ধরুন আপনি রাজশাহী তে পড়তে চান তাহলে আপনি এভাবে রাজশাহী ৮ টা ডিপার্টমেন্ট চয়েস দিবেন , রাজশাহী কম্পিউটার,রাজশাহী সিভিল , রাজশাহী ইলেক্ট্রনিক্স ইত্যাদি । আপনি যদি এইভাবে চয়েস দেন শুধু একটা পলিটেকনিকে তাহলে আপনি চয়েস পাইতে ও পারেন আবার না পেতে পারেন সেটা সম্পন্ন বোর্ডের ব্যাপার কিন্তু এভাবে দিলে পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় ।

আর যদি আপনার ইচ্ছা থাকে একটি নির্দিষ্ট বিষয় তাহলে আপনি কিছু পলিটেকনিক চয়েস করে সেই গুলোতে চয়েস দিবেন । যদি আপনি কম্পিউটারে পড়তে চান তাহলে এভাবে দিতে পারেন রাজশাহী কম্পিউটার , খুলনা কম্পিউটার , ঢাকা কম্পিউটার ইত্যাদি । এভাবে আপনার সাবজেক্ট টা টার্গেট থাকলে তাহলে এইভাবে দিলে চ্যান্স পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় ।

৬। আমি ভোকেশনার থেকে এস এস সি পাশ করেছি আমি চ্যান্স পাবো ?

উত্তরঃ হ্যাঁ ভাই আপনার পয়েন্ট যদি ভালো থাকে অবশ্যই পাবেন এবং আর আপনি ভোকেশনাল কোটার একটি সুবিধা পাবেন ।

৭। কোন সাবজেক্ট ভালো ? কোনটা নিয়ে পড়লে ভালো হয় ?

উত্তরঃ সব সাবজেক্ট বা ডিপার্টমেন্ট ভালো কিন্তু এই প্রশ্ন যদি আপনি কাউকে করেন তাহলে আপনাকে বলবে সিভিল , মেকানিক্যাল , আর যত সব কিন্তু আপনার ইচ্ছা কি সেটা বিবেচনা করে সাবজেক্ট চয়েস করবেন অন্যের পরামর্শ নিয়ে না । দক্ষতা না থাকলে যে বিষয় নিয়ে পড়েন না কেন লাভ নাই ।

৮। ডিপ্লোমা থেকে বের হলে নাকি চাকরি পাওয়া যায় ?

উত্তরঃ এটি একটি সম্পন্ন মিথ্যা কথা যে ডিপ্লোমা করলেই চাকরি পাওয়া যায় ভুল ধারণা । ডিপ্লোমা করার  পর আপনি যদি ভালো হউন দক্ষতা অর্জন করতে সক্ষম হন তাহলে চাকরি জন্য আবেদন করে বা যা করা লাগে তা করে চাকরি পেতে পারেন ।

৯। পলিটেকনিক ও জেনারেল এক সাথে পড়া যাবে কি ? 

উত্তরঃ পলিটেকনিক ও জেনারেল এক সাথে পড়া যাবে না যদি এমন কেউ করে তাহলে তার দু জায়গা থেকে বাতিল হয়ে যাবে ।

১০। কত পয়েন্ট হলে চ্যান্স পাওয়ার সম্ভবনা বেশি ? 

উত্তরঃ  ডিপ্লোমা ভর্তি আবেদন করার একটি নির্দিষ্ট একটি পয়েন্ট আছে আপনার ইতিমধ্যে জানেন তা ব্যতীত ও যদি আপনার পয়েন্ট ৪.৫০+ হয়ে থাকে তাহলে বেশি ভালো হয় । কিন্তু এমন না যে এর নিচে পয়েন্ট ছাড়া কিছু হবে না অবশ্যই হবে ডিপ্লোমা ভর্তি আবেদন করতে পারবেন তাদের নির্দিষ্ট ঐ পয়েন্ট থাকলেই ।

এই ছিল কিছু কমন প্রশ্ন কিন্তু আমি জানি তবুও আপনারা প্রশ্ন করবেন কিন্তু একটু বুঝে শুনে উত্তর গুলো পড়ুন তাহলে পেয়ে যাবেন আরো উত্তর আর তাও যদি সমস্যা প্রশ্ন থেকে থাকে নিচে লেখার শেষের দেখুন ফেসবুকে দিয়ে কমেন্ট করার সিস্টেম আছে কমেন্ট করুন আপনার প্রশ্ন করুন উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব ।

সকল সরকারি ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট এর নাম,আসন সংখ্যা,টেকনোলজি ইত্যাদি দেখে নিন ।

Leave a Response

MD Biplop Hossain
নিজের সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নাই । আমি প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখার বা জানার চেষ্টা করি এবং নিজের জানা ও শিখা বিষয় গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করে থাকি এই সাইট টির মাধ্যমে । "Learn And Share Your Knowledge"